
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সামাজিক মাধ্যম এক্সে ইংরেজিতে যে পোস্টটি দিয়েছেন, তা নিয়ে দেশটির কয়েকটি সংবাদমাধ্যম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
পোস্টে আরাঘচি লেখেন, “লেবাননে যুদ্ধবিরতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বন্দর ও নৌপরিবহন সংস্থা আগেই যে সমন্বিত রুট ঘোষণা করেছে, সে অনুযায়ী যুদ্ধবিরতির অবশিষ্ট সময়জুড়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত ঘোষণা করা হলো”।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বেশি গুরুত্ব দিয়েছে “সমন্বিত রুট” বিষয়টিতে এবং প্রণালি দিয়ে সব বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল যুদ্ধবিরতির অবশিষ্ট সময়ের জন্য “সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত”—এই অংশটি মূলত উপেক্ষা করেছে।
ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)এর সঙ্গে সম্পৃক্ত তাসনিম নিউজ এজেন্সি পোস্টটিকে “খারাপ ও অসম্পূর্ণ” বলে উল্লেখ করেছে। তারা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ বহাল থাকলে এ ধরনের চলাচলকে “অকার্যকর” বলে বিবেচনা করা হবে।
তাসনিম আরও বলেছে, “পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিজেরই এ ধরনের যোগাযোগের পদ্ধতি নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা উচিত”।
আইআরজিসির আধাসামরিক বাসিজ ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্ক (এসএনএন) ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছে “ব্যাখ্যা” চেয়েছে, যাতে এই ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের “বিজয়” হিসেবে যে “বর্ণনা” সামনে আসছে, তা “চ্যালেঞ্জ করা ও ভেঙে দেওয়া” যায়।
আইআরজিসি-ঘনিষ্ঠ আরেকটি সংস্থা, ফার্স নিউজ এজেন্সিও কর্তৃপক্ষের প্রতি বিষয়টি “পরিষ্কার করার” আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, এক্সে দেওয়া “সংক্ষিপ্ত ও তীক্ষ্ণ বক্তব্য” ইরানের “ভেতরের জনমতকে” বোঝাতে উপযুক্ত নয়।
ফার্সের দাবি, ইরানিরা “কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে শত্রুপক্ষের বর্ণনা ও শত্রুতাপূর্ণ গণমাধ্যমকে এই বর্ণনার শূন্যতা পূরণ করতে দেওয়া না হয়”।
সম্পাদক : মাহমুদ আনোয়ার হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : জুবায়ের রহমান চৌধুরী
বার্তা সম্পাদক : খালেকুজ্জামান পান্নু
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয় : বাড়ি # ৬৩, সড়ক # ২১,
রূপনগর আ/এ, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬।
বাণিজ্যিক কার্যালয় : গুলশান-বাড্ডা লিংক রোড, ঢাকা-১২১২।
ফোন : 01731-488397,01552381515, 01751345643
হোয়াটসএ্যাপ : 01826567123
Copyright © 2026 সারাবেলার সংবাদ. All rights reserved.