সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিক আমিরুজ্জামানকে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় কামারপুকুর ইউনিয়ন বাসী
জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর প্রতিনিধি
- আপডেট সময় : ০৬:২৮:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬ ৫ বার পঠিত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও নীলফামারীর সৈয়দপুরে ইউনিয়নগুলোতে চেয়ারম্যান পদ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে জোরেশোরেই । উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নে স্বর্ণপদক বিজয়ী সাংবাদিক আমিরুজ্জামান কে আবারো চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় ভোটাররা। তাঁর আমলে জনগণের ছিল না কোন অভিযোগ। হয়নি কোন অনিয়ম ও দুর্নীতি। ইউনিয়ন পরিষদকে জনগণের কাছের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন তিনি।
আশির দশকে সাংবাদিকতা শুরু করেন আমিরুজ্জামান। দৈনিক করতোয়া, দৈনিক সংগ্রাম, আজকের কাগজ ও মানবজমিনের মতো জাতীয় দৈনিকে দক্ষতার সাথে কাজ করেন তিনি। নীলফামারী জেলা সদর থেকে প্রকাশিত দৈনিক নীলফামারী বার্তা কর্তৃপক্ষ তাঁকে স্টাফ রিপোর্টার ও নির্বাহী সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব দেন। ওইসময় তিনি পিআইবি, ডেভফিচার সহ ৫০টির মতো প্রশিক্ষণ ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। এ অবস্থায় জনগণের ইচ্ছে ও চাহিদানুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে প্রায় ২৫০০ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে কামারপুকুর ইউনিয়নে প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।
ওই সময় ইউনিয়ন পরিষদকে জনগণের কাছের প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেবা দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। প্রতিটি বরাদ্দ ও বিতরণ ডিসপ্লে বোর্ডে প্রদর্শন করেন। নাগরিকত্ব ও চারিত্রিক সনদপত্রে পরিবর্তন আনেন। এলাকার রাস্তাঘাট ও এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান করেন। তালিকা প্রণয়নে উপকারভোগী ও এলাকার মানুষদের সম্পৃক্ত করে দৃষ্টান্ত স্পাপন করেন। গ্রাম আদালত কার্যকর করেন তিনি। সকাল ও বিকেলে প্রতিদিন ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। তার আমলে সারাদেশের মধ্যে প্রথম ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রের কর আদায় করেন তিনি। তিনি পরিষদের বয়স্কভাতা, বিধবা ভাতাসহ নানা কর্মকান্ড তুলে ধরে ইউনিয়ন পরিষদে সৃজন নামে একটি সংকলন প্রকাশ করেন। আলোচনা সভা, নাটিকার মাধ্যমে ইউনিয়নবাসীকে সচেতন করা হয়।
গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমে দেশ গঠনমূলক বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ জেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে ১৯৯৮-৯৯ সালে স্থানীয় সরকার কর্তৃক স্বর্ণপদক ও সনদপত্র লাভ করেন। এছাড়া নীলফামারী বার্তার শ্রেষ্ঠ সাংবাদিক হিসেবে সম্মাননা লাভ করেন। বর্তমানে তিনি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা সংবাদদাতা ও বাংলানিউজ টোয়েন্টি ফোর.কমের নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। কামারপুকুর ইউনিয়ন এর সাবেক সফল চেয়ারম্যান সাংবাদিক আমিরুজ্জামানকে একারনেই ভোটাররা পুনরায় ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাইছেন। এলাকায় কল-কারখানার সম্প্রসারণ ও গরিব এবং অসহায় মানুষের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় তাঁর বিকল্প নেই বলে জানান সচেতন ভোটাররা।
ওই সময় ইউনিয়ন পরিষদকে জনগণের কাছের প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেবা দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। প্রতিটি বরাদ্দ ও বিতরণ ডিসপ্লে বোর্ডে প্রদর্শন করেন। নাগরিকত্ব ও চারিত্রিক সনদপত্রে পরিবর্তন আনেন। এলাকার রাস্তাঘাট ও এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান করেন। তালিকা প্রণয়নে উপকারভোগী ও এলাকার মানুষদের সম্পৃক্ত করে দৃষ্টান্ত স্পাপন করেন। গ্রাম আদালত কার্যকর করেন তিনি। সকাল ও বিকেলে প্রতিদিন ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। তার আমলে সারাদেশের মধ্যে প্রথম ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রের কর আদায় করেন তিনি। তিনি পরিষদের বয়স্কভাতা, বিধবা ভাতাসহ নানা কর্মকান্ড তুলে ধরে ইউনিয়ন পরিষদে সৃজন নামে একটি সংকলন প্রকাশ করেন। আলোচনা সভা, নাটিকার মাধ্যমে ইউনিয়নবাসীকে সচেতন করা হয়।
গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমে দেশ গঠনমূলক বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ জেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে ১৯৯৮-৯৯ সালে স্থানীয় সরকার কর্তৃক স্বর্ণপদক ও সনদপত্র লাভ করেন। এছাড়া নীলফামারী বার্তার শ্রেষ্ঠ সাংবাদিক হিসেবে সম্মাননা লাভ করেন। বর্তমানে তিনি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা সংবাদদাতা ও বাংলানিউজ টোয়েন্টি ফোর.কমের নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। কামারপুকুর ইউনিয়ন এর সাবেক সফল চেয়ারম্যান সাংবাদিক আমিরুজ্জামানকে একারনেই ভোটাররা পুনরায় ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাইছেন। এলাকায় কল-কারখানার সম্প্রসারণ ও গরিব এবং অসহায় মানুষের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় তাঁর বিকল্প নেই বলে জানান সচেতন ভোটাররা।
Facebook Comments Box










