সংবাদ শিরোনাম :
Logo ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি : তথ্যমন্ত্রী Logo নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo কালবৈশাখী ও ভারী বর্ষণের সতর্কবার্তা জারি, চট্টগ্রামে ভূমিধসের আশঙ্কা Logo ঢাকায় কাল থেকে জেলা প্রশাসক সম্মেলন, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ঈশ্বরদীর বাজারে উঠেছে অপরিপক্ব স্বাদহীন দেশী লিচু, বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে Logo ডিমলায় ২৫কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo রূপপুর প্রকল্পে রুশ নাগরিকের মৃত্যু Logo চট্টগ্রামে নানা কর্মসূচিতে মে দিবস পালিত Logo চাঁদপুরে নিষেধাজ্ঞা শেষে পদ্মা-মেঘনায় ইলিশ ধরতে নেমেছেন জেলেরা

ঈদ শেষে সৈয়দপুর থেকে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ৬ বার পঠিত

oplus_2

ঈদ উল ফিতরের ৫ দিন সরকারি ছুটি কাটিয়ে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। গত ২৪ মঙ্গলবার মার্চ ছিল সরকারি ছুটির শেষ দিন। ২৫ মার্চ বুধবার থেকে ঢাকা সহ বিভিন্ন অঞ্চলে আবারো ফিরছে চিরচেনা কর্মচঞ্চলে।
দেখা গেছে, সৈয়দপুর শহরের শহীদ ডাক্তার জিকরুল হক সড়ক, বঙ্গবন্ধু সড়ক সহ বাস টার্মিনালে দাড়িয়ে থাকছে একের পর এক বাস।প্রতিটি বাসেই থাকছে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়।২৫ মার্চ চাকরিতে ফিরতে না পারলেও যাতে করে ২৬ মার্চ গন্তব্যে ফিরে কর্মস্থলে যোগ দিতে পারে সেজন্য যাত্রীরা ব্যাগ ব্যাগেজ হাতে নিয়ে উঠছেন বাসে।
ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার কয়েকজন যাত্রী জানান,এবারে ঢাকা থেকে সৈয়দপুরে ঈদ করতে আসা যাত্রা ছিল স্বস্তিদায়ক। ঢাকা থেকে সৈয়দপুরের ভাড়া ছিল সাধ্যের মধ্যে। কিন্তু সৈয়দপুর থেকে ঢাকা ফিরতে তুলনামূলক ভাড়া অনেক বেশি।
২৫ মার্চ রাত ৯ টায় নীলসাগর ট্রেনের যাত্রী আব্দুল জব্বার বলেন, ২৪ মার্চ মঙ্গলবার নীলসাগর ট্রেন ছিল বন্ধ। তাই ২৫ মার্চ বুধবার ঢাকা যাচ্ছি। পরিবারের সাথে দীর্ঘ ৫ দিন ঈদের কাটানো সময় ছিল যথেষ্ট আনন্দদায়ক। ২৯ মার্চ সকালে কাজে যোগদান করতেই হবে। ট্রেনের যাত্রা কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাসের চেয়ে ট্রেনের যাত্রা আরামদায়ক। ভাড়াও তুলনামূলক কম এবং সারাক্ষণ পুলিশ থাকে ট্রেনে। একারনে চুরি ছিনতাইয়ের ভয় থাকে না। জানমালের নিরাপত্তা থাকে যাত্রা কালিন সময়ে। তবে রেলওয়ে ষ্টেশনে পর্যন্ত লাইট না থাকায় কিছুটা ভয়ের মধ্যেই ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়।
সৈয়দপুর বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন,ঈদের পর ঢাকা মুখি যাত্রীদের চাপ থাকে অনেক বেশি। সে তুলনায় ভাড়া তেমন একটা বেশি নেয়া হচ্ছে না বলে জানান তিনি। (২৫ মার্চ) বুধবার রাতে সৈয়দপুর রেলওয়ে ষ্টেশন মাষ্টার ওবায়দুর রহমান রতন বলেন,আজ থেকে নীলসাগর ট্রেনে ভীর হয়েছে। ২৬ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত যাত্রীদের প্রচন্ড ভীড় থাকবে। কারন যারা গত সোমবার, মঙ্গলবার ও বুধবার সরকারি বেসরকারি অফিস আদালত সহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠানে যোগ দিতে পারে নাই, তারা ২৮ মার্চ কর্মস্থলে যোগ দিবেন।
একারনে গত ২ দিনের চেয়ে ২৬ ও ২৭ মার্চ রাতে যাত্রীদের প্রচন্ড চাপ থাকতে পারে বলে জানান তিনি।তিনি বলেন, প্রতি বছরই ঈদের সময় নীলসাগর ট্রেনের সাথে অতিরিক্ত ২/৪ টি স্পেশাল বগি দেয়া হতো কিন্তু এবারে অতিরিক্ত বগি দেয়া হয়নি। একারনে যাত্রীর চাপ তুলনামূলক অনেক বেশি। তবে যাত্রীর নিরাপত্তায় স্টেশন এলাকা সহ ট্রেনের প্রতিটি বগিতেই রেলওয়ের পুলিশ দ্বারা সেবার ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি বলেন, যাত্রীদের সুবিধার্থে ষ্টেষন এলাকায় আরো কিছু লাইটের ব্যবস্হা করা দরকার।
এ ব্যাপারে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আশা করছি অতি শিগগিরই লাইটিং ব্যাবস্হা বাড়ানো হতে পারে বলে জানান তিনি। অন্য দিকে ঈদের ২ দিন পর থেকে ঢাকা মুখি বিমান যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। সৈয়দপুর থেকে ঢাকা ফিরতে যাত্রীদের জন্য ১৫টি বিমান চলাচল করছে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় বিমানবন্দর এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে বলে জানান বিমানবন্দর ব্যবস্হাপক এবিএম বাহা উদ্দিন জাকারিয়া।
Facebook Comments Box
শেয়ার করুন:
ট্যাগস :

ঈদ শেষে সৈয়দপুর থেকে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

আপডেট সময় : ০৬:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
ঈদ উল ফিতরের ৫ দিন সরকারি ছুটি কাটিয়ে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। গত ২৪ মঙ্গলবার মার্চ ছিল সরকারি ছুটির শেষ দিন। ২৫ মার্চ বুধবার থেকে ঢাকা সহ বিভিন্ন অঞ্চলে আবারো ফিরছে চিরচেনা কর্মচঞ্চলে।
দেখা গেছে, সৈয়দপুর শহরের শহীদ ডাক্তার জিকরুল হক সড়ক, বঙ্গবন্ধু সড়ক সহ বাস টার্মিনালে দাড়িয়ে থাকছে একের পর এক বাস।প্রতিটি বাসেই থাকছে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়।২৫ মার্চ চাকরিতে ফিরতে না পারলেও যাতে করে ২৬ মার্চ গন্তব্যে ফিরে কর্মস্থলে যোগ দিতে পারে সেজন্য যাত্রীরা ব্যাগ ব্যাগেজ হাতে নিয়ে উঠছেন বাসে।
ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার কয়েকজন যাত্রী জানান,এবারে ঢাকা থেকে সৈয়দপুরে ঈদ করতে আসা যাত্রা ছিল স্বস্তিদায়ক। ঢাকা থেকে সৈয়দপুরের ভাড়া ছিল সাধ্যের মধ্যে। কিন্তু সৈয়দপুর থেকে ঢাকা ফিরতে তুলনামূলক ভাড়া অনেক বেশি।
২৫ মার্চ রাত ৯ টায় নীলসাগর ট্রেনের যাত্রী আব্দুল জব্বার বলেন, ২৪ মার্চ মঙ্গলবার নীলসাগর ট্রেন ছিল বন্ধ। তাই ২৫ মার্চ বুধবার ঢাকা যাচ্ছি। পরিবারের সাথে দীর্ঘ ৫ দিন ঈদের কাটানো সময় ছিল যথেষ্ট আনন্দদায়ক। ২৯ মার্চ সকালে কাজে যোগদান করতেই হবে। ট্রেনের যাত্রা কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাসের চেয়ে ট্রেনের যাত্রা আরামদায়ক। ভাড়াও তুলনামূলক কম এবং সারাক্ষণ পুলিশ থাকে ট্রেনে। একারনে চুরি ছিনতাইয়ের ভয় থাকে না। জানমালের নিরাপত্তা থাকে যাত্রা কালিন সময়ে। তবে রেলওয়ে ষ্টেশনে পর্যন্ত লাইট না থাকায় কিছুটা ভয়ের মধ্যেই ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়।
সৈয়দপুর বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন,ঈদের পর ঢাকা মুখি যাত্রীদের চাপ থাকে অনেক বেশি। সে তুলনায় ভাড়া তেমন একটা বেশি নেয়া হচ্ছে না বলে জানান তিনি। (২৫ মার্চ) বুধবার রাতে সৈয়দপুর রেলওয়ে ষ্টেশন মাষ্টার ওবায়দুর রহমান রতন বলেন,আজ থেকে নীলসাগর ট্রেনে ভীর হয়েছে। ২৬ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত যাত্রীদের প্রচন্ড ভীড় থাকবে। কারন যারা গত সোমবার, মঙ্গলবার ও বুধবার সরকারি বেসরকারি অফিস আদালত সহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠানে যোগ দিতে পারে নাই, তারা ২৮ মার্চ কর্মস্থলে যোগ দিবেন।
একারনে গত ২ দিনের চেয়ে ২৬ ও ২৭ মার্চ রাতে যাত্রীদের প্রচন্ড চাপ থাকতে পারে বলে জানান তিনি।তিনি বলেন, প্রতি বছরই ঈদের সময় নীলসাগর ট্রেনের সাথে অতিরিক্ত ২/৪ টি স্পেশাল বগি দেয়া হতো কিন্তু এবারে অতিরিক্ত বগি দেয়া হয়নি। একারনে যাত্রীর চাপ তুলনামূলক অনেক বেশি। তবে যাত্রীর নিরাপত্তায় স্টেশন এলাকা সহ ট্রেনের প্রতিটি বগিতেই রেলওয়ের পুলিশ দ্বারা সেবার ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি বলেন, যাত্রীদের সুবিধার্থে ষ্টেষন এলাকায় আরো কিছু লাইটের ব্যবস্হা করা দরকার।
এ ব্যাপারে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আশা করছি অতি শিগগিরই লাইটিং ব্যাবস্হা বাড়ানো হতে পারে বলে জানান তিনি। অন্য দিকে ঈদের ২ দিন পর থেকে ঢাকা মুখি বিমান যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। সৈয়দপুর থেকে ঢাকা ফিরতে যাত্রীদের জন্য ১৫টি বিমান চলাচল করছে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় বিমানবন্দর এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে বলে জানান বিমানবন্দর ব্যবস্হাপক এবিএম বাহা উদ্দিন জাকারিয়া।
Facebook Comments Box
শেয়ার করুন: