সংবাদ শিরোনাম :
Logo মে মাসে ৬১৩ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬২২, আহত ১৬৫২: যাত্রী কল্যাণ সমিতি Logo কক্সবাজারে পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo অলিগার্কদের ধ্বংস করা সরকারের লক্ষ্য: মির্জা ফখরুল Logo ক্রিকেটার নাঈমকে নির্যাতন : ৩ পুলিশ প্রত্যাহার Logo বিরোধীদলের উদ্দেশ্য অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি ও মানুষকে বিভ্রান্ত করা: প্রধানমন্ত্রী Logo মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষায় ৫৭ হাজার ৩০১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব Logo মানুষের প্রত্যাশা হচ্ছে-রাষ্ট্রের একটা কানাকড়ি নয়-ছয় না হোক: অ্যাটর্নি জেনারেল Logo স্বামীর সাথে ঢাকায় গিয়ে গৃহবধূ নিখোঁজ , স্বামীর ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ ভুক্তভোগী পরিবারের Logo মালয়েশিয়া প্রবাসীর ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেফতার ২ Logo শেকৃবিতে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন আয়োজিত মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

স্বামীর সাথে ঢাকায় গিয়ে গৃহবধূ নিখোঁজ , স্বামীর ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ ভুক্তভোগী পরিবারের

আটঘরিয়া প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:২৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ৪ বার পঠিত

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় সুমাইয়া আক্তার আলো নামক এক গৃহবধু তার স্বামীর সাথে ঢাকায় যাওয়ার পর ৭ দিন ধরে নিখোঁজ। নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় স্বামীর ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে পাবনা সদর থানা ও নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানায় সুমাইয়া আক্তার আলোর পিতা আটঘরিয়া থানাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল্লাহ ছেলে আলামিন বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, তার মেয়ে সুমাইয়া আক্তার আলো (১৮) এর সাথে সোহাগ আলী (২৮), পিতা সবুর আলী, সাং-শালাইপুর, ইউপি-গয়েশপুর, থানা-পাবনা সদর, জেলা-পাবনা—এর প্রায় এক বছর আগে পারিবারিকভাবে বিবাহ সম্পন্ন হয়।

পরিবারের দাবি অনুযায়ী, গত ০২ জুন ২০২৬ তারিখে স্বামী সোহাগ আলী তার স্ত্রীকে ঢাকায় নিয়ে যান। পরবর্তীতে ০৫ জুন ২০২৬ তারিখে সে বাড়িতে ফিরে এসে জানায় ০৩ জুন ২০২৬ তারিখে ঢাকার নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানা হাজীগঞ্জ এলাকা থেকে তাদের মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে আশঙ্কা করা হচ্ছে, গৃহবধু কোনো অজ্ঞাত স্থানে হারিয়ে যেতে পারেন অথবা কোনো চক্রের মাধ্যমে বিপদে পড়তে পারেন। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পরিবার।

 অভিযোগকারী আলামিন জানান, বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও মেয়ের কোনো সন্ধান না পেয়ে তিনি বাধ্য হয়ে থানায় অভিযোগ করেন। এতে এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, আমার জামাই সোহাগ আলী ঢাকা নারায়ণগঞ্জ ইপিজেডে চাকরি করতেন। এ সুবাধে জামাই মেয়েকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানার হাজীগঞ্জ এলাকায় একটি বাসা বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সেখান থেকে আমার মেয়েকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে স্থানীয় সাক্ষী হিসেবে সুমি খাতুন (৩৬), স্বামী কামাল, সাং-রাধাকান্তপুর, দেবত্তোর, থানা-আটঘরিয়া, জেলা-পাবনা—সহ আরও অনেকে বিষয়টি অবগত আছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাবনা সদর থানা সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
শেয়ার করুন:
ট্যাগস :

স্বামীর সাথে ঢাকায় গিয়ে গৃহবধূ নিখোঁজ , স্বামীর ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ ভুক্তভোগী পরিবারের

আপডেট সময় : ১০:২৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় সুমাইয়া আক্তার আলো নামক এক গৃহবধু তার স্বামীর সাথে ঢাকায় যাওয়ার পর ৭ দিন ধরে নিখোঁজ। নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় স্বামীর ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে পাবনা সদর থানা ও নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানায় সুমাইয়া আক্তার আলোর পিতা আটঘরিয়া থানাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল্লাহ ছেলে আলামিন বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, তার মেয়ে সুমাইয়া আক্তার আলো (১৮) এর সাথে সোহাগ আলী (২৮), পিতা সবুর আলী, সাং-শালাইপুর, ইউপি-গয়েশপুর, থানা-পাবনা সদর, জেলা-পাবনা—এর প্রায় এক বছর আগে পারিবারিকভাবে বিবাহ সম্পন্ন হয়।

পরিবারের দাবি অনুযায়ী, গত ০২ জুন ২০২৬ তারিখে স্বামী সোহাগ আলী তার স্ত্রীকে ঢাকায় নিয়ে যান। পরবর্তীতে ০৫ জুন ২০২৬ তারিখে সে বাড়িতে ফিরে এসে জানায় ০৩ জুন ২০২৬ তারিখে ঢাকার নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানা হাজীগঞ্জ এলাকা থেকে তাদের মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে আশঙ্কা করা হচ্ছে, গৃহবধু কোনো অজ্ঞাত স্থানে হারিয়ে যেতে পারেন অথবা কোনো চক্রের মাধ্যমে বিপদে পড়তে পারেন। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পরিবার।

 অভিযোগকারী আলামিন জানান, বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও মেয়ের কোনো সন্ধান না পেয়ে তিনি বাধ্য হয়ে থানায় অভিযোগ করেন। এতে এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, আমার জামাই সোহাগ আলী ঢাকা নারায়ণগঞ্জ ইপিজেডে চাকরি করতেন। এ সুবাধে জামাই মেয়েকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানার হাজীগঞ্জ এলাকায় একটি বাসা বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সেখান থেকে আমার মেয়েকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে স্থানীয় সাক্ষী হিসেবে সুমি খাতুন (৩৬), স্বামী কামাল, সাং-রাধাকান্তপুর, দেবত্তোর, থানা-আটঘরিয়া, জেলা-পাবনা—সহ আরও অনেকে বিষয়টি অবগত আছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাবনা সদর থানা সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
শেয়ার করুন: