সংবাদ শিরোনাম :
Logo অসুস্থ দুই ছাত্রী রাজশাহীতে ভর্তি, তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন Logo নওগাঁর পোরশায় নছিমনের ধাক্কায় এক ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠীর নেতা নিহত Logo নওগাঁ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ Logo পদ্মা নদীসহ পানি সংকট মোকাবিলায় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন হওয়ায় ঈশ্বরদীর মানুষ আনন্দিত ও উচ্ছ্বাসিত Logo আত্রাইয়ে বোরো ধান-চাল ও গম সংগ্রহের উদ্বোধন Logo ঈশ্বরদীতে বিষাক্ত কেমিক্যালের গন্ধে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি Logo নওগাঁ চেম্বারের নবায়ন ফি বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ: নির্বাচন দাবিতে প্রশাসকের কাছে ব্যবসায়ীদের আবেদন Logo ঈশ্বরদীতে মালবাহী ট্রেনের ধাক্কায় যুবক নিহত Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন Logo আমাদের সামর্থ্য সীমাহীন না হলেও নতুন কিছু করা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

নওগাঁ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ

সারাবেলা সংবাদ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৫৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ ১ বার পঠিত
 নওগাঁ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহাদাৎ হোসেনের বিরুদ্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলার একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষানুরাগীরা অভিযোগ করেন, নিয়মিত পরিদর্শনের আড়ালে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ দাবি করছেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পরিদর্শনের আগের দিন তার গাড়িচালক মো. এজাজ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফোন করে জানান যে, “ডিইও স্যার” পরদিন তার প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনে যাবেন এবং স্যারের জন্য ২ থেকে ৩ হাজার টাকা সম্মানী হিসেবে প্রস্তুত রাখতে হবে। এছাড়াও কোনো প্রতিষ্ঠানে কোন অনিয়ম পাওয়া গেলে কিংবা কোনো শিক্ষক দেরিতে উপস্থিত হলে তাদের জেলা শিক্ষা অফিসে গিয়ে দেখা করতে বলা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও কোন প্রতিষ্ঠানের বা কোন শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ দিলে তিনি তদন্ত না করে কালক্ষেপণ করেন। একপর্যায়ে সেই অভিযোগ ধামাচাপা পরে যায়। এতেকরে অভিযুক্তদের কাছে থেকে  অবৈধ সুবিধা নেওয়ার রাস্তা সহজ হয়ে যায়।
নাম প্রকাশে একাধিক শিক্ষক জানান, কিছু প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার আগে তার পছন্দের খাবারের তালিকা জানিয়ে দেওয়া হয়। পরে সেই অনুযায়ী আপ্যায়নের ব্যবস্থা করতে হয় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে। এছাড়াও তাকে এবং তার ড্রাইভারকে টাকা দিতে হয়। আমাদের ইচ্ছে না থাকলেও এক প্রকার বাধ্য হয়েই এই টাকা দিতে হচ্ছে।
স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের দাবি, রাজশাহী শিক্ষা অফিসের আঞ্চলিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিডি) তার বিয়াই হওয়ায় সেই প্রভাব খাটিয়ে তিনি এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে কেউ ভয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। এ ঘটনায় শিক্ষক সমাজ ও সচেতন মহলের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহাদাৎ হোসেনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ গুলো সত্য নয়। আমি কারও কাছে টাকা নিইনি। তবে আমার ড্রাইভার টাকা নিতে পারে। আমি তাকে নিষেধ করে দিবো।
Facebook Comments Box
শেয়ার করুন:
ট্যাগস :

নওগাঁ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৫৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
 নওগাঁ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহাদাৎ হোসেনের বিরুদ্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলার একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষানুরাগীরা অভিযোগ করেন, নিয়মিত পরিদর্শনের আড়ালে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ দাবি করছেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পরিদর্শনের আগের দিন তার গাড়িচালক মো. এজাজ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফোন করে জানান যে, “ডিইও স্যার” পরদিন তার প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনে যাবেন এবং স্যারের জন্য ২ থেকে ৩ হাজার টাকা সম্মানী হিসেবে প্রস্তুত রাখতে হবে। এছাড়াও কোনো প্রতিষ্ঠানে কোন অনিয়ম পাওয়া গেলে কিংবা কোনো শিক্ষক দেরিতে উপস্থিত হলে তাদের জেলা শিক্ষা অফিসে গিয়ে দেখা করতে বলা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও কোন প্রতিষ্ঠানের বা কোন শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ দিলে তিনি তদন্ত না করে কালক্ষেপণ করেন। একপর্যায়ে সেই অভিযোগ ধামাচাপা পরে যায়। এতেকরে অভিযুক্তদের কাছে থেকে  অবৈধ সুবিধা নেওয়ার রাস্তা সহজ হয়ে যায়।
নাম প্রকাশে একাধিক শিক্ষক জানান, কিছু প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার আগে তার পছন্দের খাবারের তালিকা জানিয়ে দেওয়া হয়। পরে সেই অনুযায়ী আপ্যায়নের ব্যবস্থা করতে হয় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে। এছাড়াও তাকে এবং তার ড্রাইভারকে টাকা দিতে হয়। আমাদের ইচ্ছে না থাকলেও এক প্রকার বাধ্য হয়েই এই টাকা দিতে হচ্ছে।
স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের দাবি, রাজশাহী শিক্ষা অফিসের আঞ্চলিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিডি) তার বিয়াই হওয়ায় সেই প্রভাব খাটিয়ে তিনি এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে কেউ ভয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। এ ঘটনায় শিক্ষক সমাজ ও সচেতন মহলের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহাদাৎ হোসেনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ গুলো সত্য নয়। আমি কারও কাছে টাকা নিইনি। তবে আমার ড্রাইভার টাকা নিতে পারে। আমি তাকে নিষেধ করে দিবো।
Facebook Comments Box
শেয়ার করুন: